শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আরও ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ দিলো বিএনপি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:৫৮ অপরাহ্ণ

সরকারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে দেশব্যাপী আরও ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী রোববার সকাল ছয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সড়ক, নৌ ও রেলপথে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এছাড়া ২৮ তারিখ থেকে কর্মসূচি চলাকালে যেসব নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার জুমার পর সারাদেশে দোয়া ও মোনাজাত করার কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশন সংলাপের জন্য যে চিঠি বিএনপির তালাবদ্ধ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের চেয়ারে রেখে এসেছে। এর কঠোর সমালোচনা করেছেন রিজভী। সরকারের নির্দেশে একে নির্বাচন কমিশনের তামাশা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে দেশব্যাপী তিনদিনের অবরোধ কর্মসূচি সফল করায় দলের নেতাকর্মী এবং জনগণকে ধন্যবাদ জানান বিএনপির এ নেতা। কর্মসূচি চলাকালে যেসব নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, তার জন্য সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।গগরোববার থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ

সরকারের পদত্যাগের ১ দফা দাবি আদায়ে আবারও ২ দিনের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর (রবি ও সোমবার) দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ পালন করবে তারা।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা অন্য দলগুলোও এই কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান তিনি।

অবরোধের পাশাপাশি শুক্রবার বিশেষ দোয়া কর্মসূচিও ঘোষণা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবর থেকে চলমান আন্দোলনে মারা যাওয়া নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিএনপির পক্ষ থেকে শুক্রবার দেশজুড়ে মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত করা হবে।

বিএনপি কার্যালয়ের গেটে পড়ে রয়েছে চিঠি, গ্রহণ করার কেউ নেই
শেষ সময়ে ‌‘ত্রিমুখী চাপে’ সরকার
নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয় ঘিরে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
আজও নয়াপল্টন পুলিশের দখলে
যাত্রীশূন্য গাবতলী, চলছে না দূরপাল্লার বাস
রিজভী বলেন, আপনারা জানেন ২৮ অক্টোবর একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। সেই সমাবেশে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। সাধারণ মানুষের এই গণজোয়ার ক্ষমতাসীনরা সহ্য করতে পারেনি। সে জন্য একটি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেই দিনের শান্তিপূর্ণ সমাবেশটি পণ্ডু করে দেওয়া হয়। এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যাতে প্রমাণিত হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি সরকারের পূর্ব পরিকল্পিত।

রিজভী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশ দলের ২৭২ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত হয়েছে ৪৮ জন। এক দফার আন্দোলন বিজয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক জুলুম-নির্যাতন সহ্য করছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা করছে। আবার কোথাও-কোথাও পুলিশ ও আওয়ামী লীগ যৌথ হামলা করছে। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছে। অনেকে আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করছেন। তারপরও গণতন্ত্রকামী মানুষ আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আরও ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ দিলো বিএনপি

সরকারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে দেশব্যাপী আরও ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী রোববার সকাল ছয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সড়ক, নৌ ও রেলপথে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এছাড়া ২৮ তারিখ থেকে কর্মসূচি চলাকালে যেসব নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার জুমার পর সারাদেশে দোয়া ও মোনাজাত করার কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

নির্বাচন কমিশন সংলাপের জন্য যে চিঠি বিএনপির তালাবদ্ধ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের চেয়ারে রেখে এসেছে। এর কঠোর সমালোচনা করেছেন রিজভী। সরকারের নির্দেশে একে নির্বাচন কমিশনের তামাশা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে দেশব্যাপী তিনদিনের অবরোধ কর্মসূচি সফল করায় দলের নেতাকর্মী এবং জনগণকে ধন্যবাদ জানান বিএনপির এ নেতা। কর্মসূচি চলাকালে যেসব নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, তার জন্য সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।গগরোববার থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ

সরকারের পদত্যাগের ১ দফা দাবি আদায়ে আবারও ২ দিনের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর (রবি ও সোমবার) দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ পালন করবে তারা।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা অন্য দলগুলোও এই কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান তিনি।

অবরোধের পাশাপাশি শুক্রবার বিশেষ দোয়া কর্মসূচিও ঘোষণা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবর থেকে চলমান আন্দোলনে মারা যাওয়া নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিএনপির পক্ষ থেকে শুক্রবার দেশজুড়ে মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত করা হবে।

বিএনপি কার্যালয়ের গেটে পড়ে রয়েছে চিঠি, গ্রহণ করার কেউ নেই
শেষ সময়ে ‌‘ত্রিমুখী চাপে’ সরকার
নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয় ঘিরে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
আজও নয়াপল্টন পুলিশের দখলে
যাত্রীশূন্য গাবতলী, চলছে না দূরপাল্লার বাস
রিজভী বলেন, আপনারা জানেন ২৮ অক্টোবর একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। সেই সমাবেশে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। সাধারণ মানুষের এই গণজোয়ার ক্ষমতাসীনরা সহ্য করতে পারেনি। সে জন্য একটি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেই দিনের শান্তিপূর্ণ সমাবেশটি পণ্ডু করে দেওয়া হয়। এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যাতে প্রমাণিত হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি সরকারের পূর্ব পরিকল্পিত।

রিজভী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশ দলের ২৭২ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত হয়েছে ৪৮ জন। এক দফার আন্দোলন বিজয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক জুলুম-নির্যাতন সহ্য করছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা করছে। আবার কোথাও-কোথাও পুলিশ ও আওয়ামী লীগ যৌথ হামলা করছে। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছে। অনেকে আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করছেন। তারপরও গণতন্ত্রকামী মানুষ আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ