মোহাম্মদ সফি, কচুয়া প্রতিনিধি : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন চাকরি ফিরে পেলেন কচুয়া উপজেলার ৮৯ জন পরিবার। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও অনিশ্চয়তার পথ পেরিয়ে অবশেষে উচ্চ আদালতের রায়ে স্বস্তি ফিরেছে এসব পরিবারের মুখে।
কচুয়ার শত শত মানুষ আজ একসঙ্গে মুখে মুখে উচ্চারণ করছেন—“এই বিজয়ের পেছনে আছেন আমাদের জনতার নেতা, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।” চাকরি ফিরে পাওয়ার আনন্দে বহু পরিবার নিজেদের ঘরে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে দোয়া করেছেন ড. মিলন ভাইয়ের জন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে বলা হয়,“আজ কচুয়ার ৮৯ জন পরিবারের কপাল খুলে গেছে- তারা আজ কোটিপতির তালিকায়।
সবাই মিলে কচুয়ায় একটি বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা উচিত।” জনগণের নেতা হিসেবে পরিচিত ড. মিলন শুধু রাজনৈতিক ময়দানেই নয়, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বারবার প্রমাণ রেখেছেন তাঁর দৃঢ় অবস্থান।যারা আজ এই চাকরি ফিরে পেয়েছেন, তারা জানেন—যার ত্যাগ ও নেতৃত্ব ছাড়া এটি সম্ভব ছিল না,তিনি হলেন কচুয়ার গর্ব, চাঁদপুরের অহংকার ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
অনেকেই অবশ্য স্বীকার করছেন না তাঁর অবদান। সামাজিক মাধ্যমে এই নিয়ে কিছু সমালোচনাও রয়েছে।তবে বাস্তবতা হলো—যারা চাকরি ফিরে পেয়েছেন, তার প্রক্রিয়াগত ও আইনি দায়িত্বে ড. মিলনের ভূমিকা ছিলো মুখ্য।এই অর্জন শুধু ৮৯টি পরিবারের নয়—পুরো কচুয়ার বিজয়।




টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসিকে মেইল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
সৌদি আরবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চাঁদপুর সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ (কাকন) ‘লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে এসেছি, মিথ্যা অপবাদে নতি স্বীকার করব না
আমার কলিজার টুকরোটা কোথায়? নিখোঁজ তামিমকে খুঁজে পেতে চাচা-বাবা-মায়ের আকুতি,
চাঁদপুরে একাত্তর ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ:দুই শতাধিক রোগীর মুখে স্বস্তির হাঁসি 