রবিবার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের কচুয়ায় জায়গার বিরোধে গর্ভবর্তী নারীকে মারধর, আহত- ৫

জসীম উদ্দীন:চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক প্রবাসীর ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ আহত হয়েছেন ৫ জন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের পালগিরি গ্রামের মিজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থাআশঙ্কাজনক। মারামারির ঘটনায় আহত সুমির বাবা আঃ মমিন কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পালগিরি গ্রামের মিজি বাড়িতে জয়নাল মিজির সঙ্গে তার ভাতিজা সাদ্দাম হোসেনের বসতবাড়িরজায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। প্রবাসী সাদ্দাম হোসেন তার ফুফু সাহেরা বেগমের অংশীদারিত্ব সম্পত্তি ক্রয় করে। ওই সম্পত্তি নিয়ে শনিবার দুপুরে শালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শালিসি
বৈঠকে সাদ্দামের ক্রয়কৃত সম্পত্তি বুঝিয়ে দেন শালিসদাররা এবং বিরোধ মীমাংসা করে দেন।

Ad

শালিসি বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জয়নাল মিজি, তার মেয়ে রিনা বেগম, ফেরদৌসী, নাতি সাব্বির দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে সাদ্দামের মা, স্ত্রী রোজিনা, বোন সুমি ও ফরহাদের উপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে । তাদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরতচিকিৎসক তাদের হসপিটালে ভর্তি দেন। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থাআশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী রোজিনা বেগম বলেন: শালিসি বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় জয়নাল মিজি সহ তার মেয়ে রিনা ও বোনেররা মিলে আমাদের উপর
হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। অন্যদিকে এব্যাপারে বিবাদী জয়নাল মিজি ও তার
মেয়ে রিনা গংদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগোযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম বলেন:মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের থেকে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে
প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।