ইসলামে বিয়ের পদ্ধতি হলো, দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে এক পক্ষ ইজাব করেন বা প্রস্তাব দেন, আরেক পক্ষ গ্রহণ করেন বা কবুল করেন- এভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। সাধারণত বিয়ের ইজাব বা প্রস্তাব করা হয় কনেপক্ষের তরফ থেকে আর বর প্রস্তাব কবুল করেন। কনে নিজে অথবা কনের সম্মতি নিয়ে তার অভিভাবক যদি দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে নিজে বা যিনি বিয়ে পড়াবেন তার মাধ্যমে প্রস্তাব দেন এবং বর ‘কবুল করলাম’ বলেন, তাহলে বিয়ে হয়ে যাবে।
আমাদের দেশে কাবিননামার মাধ্যমে বিয়ের সরকারি নিবন্ধন হয়। দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মৌখিক ইজাব কবুল বলার মাধ্যমে শরঈ পদ্ধতিতে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর তা সরকারিভাবে নিবন্ধন করা যেতে পারে। কিন্তু ইজাব-কবুল বলা ছাড়া শুধু কাবিননামায় সাক্ষর করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে না।
কোনো বিয়ে যদি না জানার কারণে শুধু কাবিননামায় সাক্ষর করার মাধ্যমে হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব শরঈ পদ্ধতিতে বিয়ে করে নেওয়া কর্তব্য।




টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসিকে মেইল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
সৌদি আরবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চাঁদপুর সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ (কাকন) ‘লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে এসেছি, মিথ্যা অপবাদে নতি স্বীকার করব না
আমার কলিজার টুকরোটা কোথায়? নিখোঁজ তামিমকে খুঁজে পেতে চাচা-বাবা-মায়ের আকুতি,
চাঁদপুরে একাত্তর ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ:দুই শতাধিক রোগীর মুখে স্বস্তির হাঁসি 