শনিবার ১৮ মে ২০২৪ ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাত পোহালেই ঈদ জমে উঠেছে বেচাকেনা
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩, ০২:৪৮ অপরাহ্ণ

রাত পোহালেই ঈদ। কোরবানির সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজধানী ঢাকার কোরবানির পশুর হাটগুলো ততই জমজমাট হয়ে উঠছে। গত দুই দিন থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও আজ বৃষ্টি হচ্ছে অঝোর ধারায়। এই বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রাজধানীর হাটগুলোতে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

বুধবার (২৮ জুন) রাজধানীর হাজারীবাগ, লালবাগ, মেরাদিয়া, কচুক্ষেতসহ অন্যান্য হাট ঘুরে দেখা গেছে, শেষ মুহূর্তে বিক্রেতা ও ক্রেতা কোনও পক্ষই ঝুঁকি নিতে নারাজ। তাই ক্রেতারা দ্রুত সময়ের মধ্যেই বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পছন্দের গরু-ছাগল কিনেছেন।

হাটগুলোতে দেখা যায়, দিনের শুরু থেকেই তুমুল বৃষ্টির কারণে কোরবানির পশু নিয়ে বিপাকে পড়েন ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে হাটে আসা ক্রেতারাও পড়েছেন ভোগান্তিতে। কোনও কোনও হাটে হাঁটুপানি জমেছে জায়গায় জায়গায়। এই পানিতেই রাখা হয়েছে গরু। ক্রেতাদের হাটে ঘুরতে হচ্ছে কাদা পেরিয়ে। বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা পেতে অনেক ব্যবসায়ী আবার বালুর বস্তা বিছিয়ে তার ওপর গরু রাখছেন। অনেকে আবার ত্রিপল, ভারী পলিথিন দিয়ে গরুকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।

তবে এমন বৈরী পরিবেশও বাধা হচ্ছে না পশু কেনাবেচায়। সব হাটেই ভিড় করেছেন বিপুল সংখ্যক ক্রেতা। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন শেষ দিন হওয়ায় একটু কষ্ট হলেও তা মেনে নিচ্ছেন তারা। আবার কিছু ক্রেতা হই-হুল্লোড় করে উৎসবের আমেজে বৃষ্টিতে ভিজেই পশু কিনছেন।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন খাবার, পরিবহন খরচসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কোরবানির পশুর দাম একটু বেড়েছে। ফলে সাধ আর সাধ্যের মধ্যে অনেকেই পছন্দের গরুটি কিনতে হিমশিম খেয়েছেন। তবে প্রচুর গরু বিক্রি হতে দেখা গেছে হাটগুলোতে।

হাজারীবাগ লেদার ইনস্টিটিউট সংলগ্ন হাটে গরু কিনতে আসা ইমরান আহমেদ বলেন, ভেবেছিলাম বৃষ্টি শেষে আবহাওয়া একটু ভালো হলে গরু কিনবো। কিন্তু আবহাওয়ার কোনও উন্নতি না দেখে ছেলেদের নিয়ে ভিজতে ভিজতেই হাটে চলে এসেছি। হাটে অনেক গরু, তবে পছন্দের গরুর দাম বাজেটের সঙ্গে মিলছে না।

মেরাদিয়া হাটে কোরবানির গরু কিনে হই-হুল্লোড় করে নিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েকজন যুবক। তারা জানালেন, বৃষ্টির জন্য তো কোরবানি আটকে থাকবে না। তাই বৃষ্টির মধ্যেই আনন্দ করতে করতে গরু কিনে ফেলেছেন।

এদিকে গরুর দাম কিছুটা বাড়তি থাকার কারণ সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা বরাবরের মতো উৎপাদন খরচ বাড়ার কথাই বলছেন। হাজারীবাগ হাটে ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়েছে। গরু লালন-পালনে খরচ বেশি হচ্ছে। পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়েছে। ন্যায্য দাম না পেলে আমাদের লোকসান হবে। তিনি জানান, গরুর দাম একটু বেশি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় বিক্রি কম।

১৬
বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টির কারণে আশানুরূপ কেৃতা আসেনি আজ
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এবার রাজধানীর দুই সিটিতে বসেছে ১৭টি অস্থায়ী হাট। এর বাইরে গাবতলী ও সারুলিয়ায় দুটি স্থায়ী হাটেও প্রচুর গরু নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা।

 







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ