শনিবার ১৮ মে ২০২৪ ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রিজভীর কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রকাশ: রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:১৭ অপরাহ্ণ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যেদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে কারও ধামাধরা হয়ে, কারও নৃশংস অমানবিক মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবে কাজ করতে গেলে এবার কিন্তু আপনারা রেহাই পাবেন না।’

রোববার (২২ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আমরা যত কর্মসূচি করেছি প্রত্যেকটি কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ। অশান্তির আগুন লাগিয়েছেন আপনারা। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর গুলি চালিয়েছেন আপনারা। সেদিন কি আমরা গুলি চালিয়েছি? গুলি চালিয়েছেন আওয়ামী উদ্বুদ্ধ পুলিশ অফিসাররা। ওই পথে আর পা বাড়াবেন না।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের পিঠ যেভাবে আপনারা দেওয়ালে ঠেকিয়েছেন, মানুষ এখন নিজে টিকে থাকার জন্য, বেঁচে থাকার জন্য আপনাদের পথে পথে ঘাটে ঘাটে বন্দরে বন্দরে প্রতিহত করবে। যদি আপনাদের অত্যাচারের মাত্রা, দমন-পীড়নের মাত্রা, নিষ্ঠুরতার মাত্রা বন্ধ না হয়।’

এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ। কিছুদিন আগেও আমরা সমাবেশ করেছি, তার আগেও আমরা সমাবেশ করেছি, কিন্তু এবার এত হুমকি কেন? এত হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তার অর্থটা কী? হয় ভয় পেয়ে গেছেন অথবা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে, সেটা আমরা জানি না।’

পুলিশ প্রশাসনের সদস্যদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আমি বলবো, এই মহাসমাবেশকে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত করতে দেওয়ার জন্য পুলিশের যে দায়িত্বটুকু আছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেই দায়িত্বটুকুই পালন করবেন। এর বাইরে ধামাধরা হয়ে কারও নৃশংস অমানবিক মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবে কোনো কাজ করতে গেলে এবার কিন্তু আপনারা রেহাই পাবেন না। আপনারা জনবিচ্ছিন্ন এবং আন্তর্জাতিকভাবেও বিচ্ছিন্ন। আপনারা প্রতিনিয়ত মানুষের ধিক্কার কুড়াচ্ছেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যেসব পুলিশ অফিসার বিএনপির মিছিল-মিটিংয়ে যত বেশি টর্চার করেছেন, লাঠিপেটা করেছেন- প্রত্যেকেরই দ্রুতগতিতে প্রমোশন হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই পদোন্নতি পেয়েছেন। আজ শেখ হাসিনার কাছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি একমাত্র সোপান হচ্ছে গণতন্ত্রকামী মানুষদের কত বেশি নিপীড়ন-নির্যাতন করতে পেরেছেন- এই মানদণ্ডের ওপরই প্রমোশন হয়।’

জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মো. এমতাজ হোসেনের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ