শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুদানে চালু থাকবে বাংলাদেশি মিশন
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

“যেহেতু আমাদের বহু নাগরিক সেখানে আছে, সুতরাং আমাদের মিশন ওখানে থাকবে। কারণ, আমাদের জনগণের জন্য সেবা দিতে হবে,” বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ক্ষমতার লড়াইয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে সুদানে বসবাসরত দেড় হাজারের মত বাংলাদেশির কথা বিবেচনা করে দেশটিতে মিশন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও, ওয়াশিংটন ও লন্ডন সফর সামনে রেখে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের ১৫ শ’র মতো বাঙালি আছে বলে শুনেছি সেখানে। আমাদের ছোট্ট একটি কনসাল জেনারেল অফিস আছে, মিশন আছে। আমরা প্রথমত অ্যাডভাইস করেছি, যারা এখন সুদান যাবেন, কেউ যাবেন না এই মুহূর্তে। আমাদেরকে পূর্ব সতর্কতা নেওয়া দরকার। কারণ ওখানে অবস্থা স্থিতিশীল না।

“আর আমরা আমাদের মিশনের লোকদের সতর্কতা নিতে বলেছি, তারা যাতে ঝামেলায় না থাকে। তবে, যেহেতু আমাদের বহু নাগরিক সেখানে আছে, সুতরাং আমাদের মিশন ওখানে থাকবে। কারণ, আমাদের জনগণের জন্য সেবা দিতে হবে।”

আট দিন আগে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর মধ্যে লড়াই শুরু হওয়ার পর মানবিক সংকট দেখা দেয়। এ পর্যন্ত চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে; লাখ লাখ সুদানি নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী খার্তুম থেকে তাদের দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে, বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে তৎপরতা শুরু করেছে।

সশস্ত্র সংঘর্ষের মধ্যে শনিবার বাংলাদেশিদের সুদান ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়ে সতর্কতা জারি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সুদানের অবস্থা ‘বিবেচনা করে’ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিশনে কর্মরতদের ‘অনেক দায়দায়িত্ব’ দেওয়া হয়েছে এবং সতর্কতা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

সুদান থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে তোড়জোড় বিভিন্ন দেশের
খার্তুম থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল মার্কিন সামরিক বাহিনী
ঈদেও সুদানে গোলাগুলি, রাস্তায় নেমেছে সেনা
সুদান থেকে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে
“আপনারা চোখ-মুখ খোলা রাখেন, দেখেন আর সবাইকে উপদেশ দেন যে, পর্যাপ্ত রেশন বাড়িতে রাখতে হবে এবং প্রত্যেককে পূর্ব সতর্কতা নিতে হবে।”

অন্যান্য দেশ সুদান পরিস্থিতিতে কী রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা নিয়ে সেদেশগুলোর সঙ্গে ‘কথাবার্তা’ অব্যাহত রয়ে বলেও জানান মোমেন।

তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কেউ কেউ প্রস্তাব করেছেন যে, আমাদের অফিসারদেরকে সরিয়ে আনার জন্য। আমরা বলেছি যে, আমার নাগরিক যখন থাকবে সেদেশে, আমাদের অফিসও থাকা উচিত। আমাদের নাগরিক যারা আছে, কারও যদি বিশেষ সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে আমরা দিতে পারব।”







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ