মুমিনের জীবনে আল্লাহর ভালোবাসার গুরুত্ব
শায়খ আবদুল্লাহ বিন বাজ (রহ.) এক ফাতাওয়ায় বলেছেন, মুমিনের জন্য হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে আল্লাহকে ভালোবাসা ওয়াজিব। যে ভালোবাসার সমকক্ষ আর কিছুই হবে না। সুতরাং আল্লাহই হবেন মুমিনের জীবনে সবচেয়ে প্রিয়। আর আল্লাহর প্রতি সত্য ভালোবাসার দাবি হলো, তাঁর আনুগত্য করা, পাপ পরিহার করা, আল্লাহর রাসুল ও নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদের ভালোবাসা। আল্লাহর শত্রুদের অপছন্দ করা এবং আল্লাহর জন্য তাদের ঘৃণা করা।’
আল্লাহর ভালোবাসা ঈমানের দাবি: মুমিনের ঈমানের দাবি হলো আল্লাহকে ভালোবাসা। আনাস বিন মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকে সে ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা পেয়ে যায়:
২. আল্লাহর ভালোবাসা মুমিনের বৈশিষ্ট্য: আল্লাহর প্রতি অন্তরে ভালোবাসা লালন করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর যারা মুমিন তারা আল্লাহকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৬৫)
৩. ঈমান ও আমলের প্রাণসত্তা: আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ.) আল্লাহর ভালোবাসা সম্পর্কে লেখেন, আল্লাহর ভালোবাসায় অন্তরের শক্তি, আত্মার খোরাক ও চোখের প্রশান্তি। সেটা এমন জীবনীশক্তি যা থেকে যে বঞ্চিত হয় সে যেন প্রকৃতার্থেই মৃত। আল্লাহর ভালোবাসাই ঈমান ও আমলের প্রাণসত্তা।’ (মাদারিজুস সালিকিন: ৩/৮)
১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আনুগত্য: মহানবী (সা.)-এর আনুগত্য মহান আল্লাহর ভালোবাসা লাভের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ বলেন, বলুন! যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমার আনুগত্য করো। আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন। তোমাদের পাপ মার্জনা করবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল দয়ালু।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১)
২. ভালো কাজ করা: মহান আল্লাহ সেসব মানুষকে ভালোবাসেন, যারা সত্কর্মপরায়ণ। ইরশাদ হয়েছে, তোমরা সত্কাজ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্কর্মপরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)
৩. দেহ ও মনের পবিত্রতা অর্জন করা: যারা পুতঃপবিত্র থাকবে ভালোবাসে এবং যারা পাপমুক্ত জীবন যাপন করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। দেহের পবিত্রতা হলো বাহ্যিক নাপাকি থেকে বেঁচে থাকা এবং অন্তরের পবিত্রতা হলো আল্লাহর কাছে তাওবা করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং তিনি পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২২)
৫. আল্লাহর ওপর আস্থা রাখা: আল্লাহর ওপর আস্থাশীল বান্দাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। মহান আল্লাহ বলেছেন, অতঃপর তুমি কোনো সংকল্প করলে আল্লাহর ওপর নির্ভর করবে; যারা নির্ভর করে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)
৬. নফল ইবাদত করা: নফল ইবাদত বান্দাকে আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা লাভে সাহায্য করে। হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আমি যা কিছু আমার বান্দার ওপর ফরজ করেছি, তা দ্বারা কেউ আমার নৈকট্য লাভ করবে না। আমার বান্দা সর্বদা নফল ইবাদত দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৫০৩)
৭. ধৈর্য ধারণ করা: ধৈর্য ধারণের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করতে পারে। ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৬)




টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসিকে মেইল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
সৌদি আরবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চাঁদপুর সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ (কাকন) ‘লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে এসেছি, মিথ্যা অপবাদে নতি স্বীকার করব না
আমার কলিজার টুকরোটা কোথায়? নিখোঁজ তামিমকে খুঁজে পেতে চাচা-বাবা-মায়ের আকুতি,
চাঁদপুরে একাত্তর ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ:দুই শতাধিক রোগীর মুখে স্বস্তির হাঁসি 